Family Therapy কতটা প্রয়োজনীয়?

—– ডঃ এম এস কবীর জুয়েল।

“ফ্যমিলি থেরাপি” প্রায়শঃই আমাদের চেম্বারগুলোর অনুষঙ্গ হয়ে উঠছে,নগরকেন্দ্রীক যান্ত্রিক জীবনে আমাদের পারিবারিক বিষয়গুলোর জটিলতাকে সহজপাঠ্য, সহজপাচ্য, সুসাধ্য ও সু-সমভাবে আলোচনা, পর্যালোচনা সাপেক্ষে বৈজ্ঞানীক ও বৈদিক পদ্ধতিতে ক্রমশঃ গঠনমূলক সমাধানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার নাম-ই “কাউন্সিলর এর সাথে পারিবারিক বৈঠক”, অতি সাধারণ বিষয় নিয়ে হলে আমরা ইহাকে ‘Family Meeting’ বলে থাকি।
নিজেদের মাঝে দ্বন্দ্ব নিরসন বা ক্রোধাগ্নী নিবারনের নিমিত্তে হলে উহাকে অন্যরুপে উপস্থাপন করা হয় যা ‘Family Counselling’ বলে অভিহিত করা যেতে পারে এবং কয়েকটি সেশন পরিচালনা করা হয়।
পরিবারের সদস্যদের মাঝে পারস্পরিক ভাবের আদান-প্রদানে সমস্যা, আন্তঃসম্পর্কে টানাপোড়ন (Interpersonal Relationship Difficulties), শ্রদ্ধাবোধের অধঃপতন ও সর্বোপরি একগুঁয়েমিতা(Stubbornness)-র কারনে
কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয়ে অতিরঞ্জিত বা অত্যধিক
আবেগী মন এর বহিঃপ্রকাশ হয়ে পরিবার কুরুক্ষেত্রে পরিণত হলে “Family Therapy” অত্যাবশ্যক হয়ে ওঠে।
A Symbolic presentation of several Aristocratic “Transgenerational Family Therapy” that includes both theoretical lore and tenets with techniques related to the influences of families across generations. (With due respect & prior permission pics are granted)

Leave a Comment